দুর্যোগকবলিত এলাকায় ১,০৫৭ আশ্রয়কেন্দ্র চালু, মোকাবিলায় সরকারের ১০ পদক্ষেপ

চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা ও ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করেছে সরকার। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা ও ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া ১০টি পদক্ষেপের তথ্য জানান।
পোস্টে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক দুর্যোগকবলিত এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য ও তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করার কথাও জানানো হয়েছে।
পোস্ট অনুযায়ী, পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধারকাজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বন্যা ও ভূমিধস পরিস্থিতির কারণে দুর্গত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংসদ সদস্যদের দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছে এবং হতাহতদের স্বজনদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার কাজ করছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
পোস্টে আরও বলা হয়, টানা বর্ষণে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ৪৭ কিলোমিটার রেলপথের উচ্চতা বৃদ্ধির দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে আবাসনের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানানো হয়েছে।






