জাতীয় জাদুঘরে তাদাও আন্দোর নকশায় নির্মিত হচ্ছে শিশু গ্রন্থাগার

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণে জাপানের খ্যাতিমান স্থপতি তাদাও আন্দোর নকশায় একটি আধুনিক শিশু গ্রন্থাগার নির্মাণের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ ও জাপানের সাংস্কৃতিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন হওয়া এই প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে সোমবার সচিবালয়ে বৈঠক করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।
সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের ২৭ এপ্রিল স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় নির্মিত হতে যাওয়া এই শিশু গ্রন্থাগার দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের একটি স্থায়ী নিদর্শন হবে। এটি শিশুদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে জাপান দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী। অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দুই দেশের সাংস্কৃতিক সহযোগিতাও আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। এ জন্য ২০০৫ সালে স্বাক্ষরিত সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি (সিইপি) সময়োপযোগী করে নবায়নের প্রস্তাব দেন তিনি।
বৈঠকে ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সাংস্কৃতিক চুক্তি এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় আসে।
জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, লোকশিল্প ও চারুকলার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে জাপানের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, জাদুঘরের আধুনিকায়ন, প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা, শিল্পী বিনিময় এবং গ্রন্থাগার ও আর্কাইভ খাতের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
বৈঠকে সংস্কৃতি বিষয়ক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ঢাকায় জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে দুই পক্ষ শুভেচ্ছা স্মারক ও ক্রেস্ট বিনিময় করেন।






