৯৯৯-এ দুই মায়ের ফোনকল, দুই জেলায় ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ৪

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ দুই মায়ের ফোনকলের পর আশুলিয়া ও কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পৃথক দুই ঘটনায় ধ*র্ষণের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দুই ঘটনাতেই ভুক্তভোগী শিশু-কিশোরীদের উদ্ধার করে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৯৯৯-এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এসব গ্রেপ্তার করে।
ঢাকার আশুলিয়ায় ফার্মেসির মালিক
গ্রেপ্তার, ১১ বছরের শিশু উদ্ধার
এক বিবৃতিতে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বুধবার (১৭ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার কুমকুমারী মাছ-বাজার এলাকা থেকে একজন অসুস্থ নারী ৯৯৯-এ ফোন করে সহায়তা চান।
তিনি জানান, তিনি ডায়রিয়া ও বমিতে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী ছিলেন। সকাল সাড়ে ৮টায় ১১ বছর বয়সী কন্যাশিশুকে স্থানীয় ফার্মেসিতে ওষুধ আনতে পাঠান। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত মেয়ে ফিরে না আসায় তিনি খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে ফার্মেসিতে গিয়ে তিনি দেখতে পান মালিক পেছনের কক্ষ থেকে বের হচ্ছেন এবং শিশুটি কান্নারত অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
৯৯৯ থেকে বিষয়টি আশুলিয়া থানায় জানানো হলে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতার সহায়তায় ফার্মেসির মালিক সিয়াম (৪২)-কে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
নাঙ্গলকোটে দুইজন গ্রেপ্তার, কিশোরী
নির্যাতনের অভিযোগ
পুলিশ জানায়, এর আগের দিন (১৬ জুন) সন্ধ্যায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার তপোবন এলাকা থেকে এক বিধবা নারী ৯৯৯-এ ফোন করে জানান, তার ১৩ বছর বয়সী কন্যাশিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
তিনি জানান, মেয়েটি বোনের শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে ধ*র্ষণ করে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় ফিরে এলে তিনি ঘটনা জানতে পারেন।
ঘটনার পর ৯৯৯ থেকে বিষয়টি নাঙ্গলকোট থানায় জানানো হয়। পরে পুলিশের অভিযানে ফয়েজ আহমেদ (২৬) ও রিয়াজ মোল্লা (২১)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।






