বৃষ্টি কমলেও সাত জেলায় বন্যা, চার নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

টিজার:
টানা বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় বন্যা পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। চারটি নদীর ছয়টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে গত দুই দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত কমে আসায় পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ওই অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। একই সঙ্গে ফেনী অঞ্চলে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
শনিবার সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত কেন্দ্রটির বুলেটিনে বলা হয়েছে, বর্তমানে সাঙ্গু, কুশিয়ারা, মনু ও খোয়াই নদীর ছয়টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। এর মধ্যে বান্দরবানের সাঙ্গু নদীর পানি বান্দরবান স্টেশনে বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার এবং দোহাজারী স্টেশনে ১৯ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
কুশিয়ারা নদীর পানি সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে ১৭ সেন্টিমিটার এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে ২১ সেন্টিমিটার বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এ ছাড়া মৌলভীবাজারে মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার এবং হবিগঞ্জের বল্লা স্টেশনে খোয়াই নদীর পানি ১ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।
সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১২৭টি পানি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টিতে নদ-নদীর পানি বেড়েছে, ৬৪টিতে কমেছে এবং ৬টিতে অপরিবর্তিত রয়েছে।
একই সময়ে তিস্তা, সুরমা, কুশিয়ারা, সোমেশ্বরী, মুহুরী ও মাতামুহুরী নদীর একাধিক স্টেশনে পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি রয়েছে। এসব এলাকায় নতুন করে ভারী বৃষ্টিপাত হলে স্থানীয়ভাবে বন্যা পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বাংলাদেশে একই সময়ে সর্বোচ্চ ১৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে সিলেটের জাফলংয়ে।






