কক্সবাজারে মা–মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: আসকের তীব্র নিন্দা, দ্রুত বিচার দাবি

কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতির সময় এক গৃহবধূ ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
সংস্থাটি বলেছে, এটি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়; বরং নারী ও শিশুর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।
গণমাধ্যমের বরাতে বুধবার আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জানায়, মাতামুহুরী উপজেলার একটি বাড়িতে গত ৮ জুন দিবাগত রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল হানা দেয়। তারা ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে এবং ঘরের আলমারি থেকে সোনা ও নগদ অর্থ লুট করে নেয়।
এ সময় বাড়িতে থাকা এক গৃহবধূ ও তাঁর ১৫ ও ৭ বছর বয়সী দুই মেয়ের মধ্যে বড় কন্যা ও মা দলবদ্ধ যৌন সহিংসতার শিকার হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আসক বলেছে, এ ধরনের বর্বর ও অমানবিক ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি কেবল ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং সমাজে ভয়, অনিরাপত্তা ও উদ্বেগ আরও গভীর করে।
আসক বলেছে, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত তদন্ত, কার্যকর প্রতিরোধ এবং জবাবদিহির ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। ফলে এমন অপরাধ পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
সংস্থাটি বলেছে, এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং প্রচলিত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের জন্য জরুরি চিকিৎসা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আসক মনে করে, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি জোরদার এবং অপরাধীদের প্রভাবমুক্ত রেখে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।
একটি ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার কোনো স্থান থাকতে পারে না বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।






