সরকারি শিশু পল্লীর শিশু ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা, জানত না কর্তৃপক্ষ

ফরিদপুরের সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)–এর এক কিশোরী নিবাসী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে পরিবারের কর্মকর্তারা।
অথচ শিশুটি ধারাবাহিকভাবে ধর্ষণের শিকার হয়ে আসছিল।
জানা গেছে, শিশুটিকে স্কুলে যাওয়া আসার পথে ওয়াহিদ শেখ (৫৪) নামের একজন দর্জি চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। ছয়মাস পর শিশুর শারীরিক পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।
এ ঘটনায় বাদী হয়ে ফরিদপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও শিশু নিবাসের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আরিফ হোসেন ৬ জুলাই ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। ওয়াহিদ শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, সরকারি শিশু নিবাসে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে পাঁচজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্তকৃতরা হলেন,সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিবুর রহমান, কম্পিউটার অপারেটর আবীর দাস, মেট্রন-কাম-নার্স মনি আক্তার এবং আয়া শামসুন্নাহার আক্তার ও তানিয়া তাজরীন।
শিশুকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে আবাসনে স্থানান্তর করা হয়েছে।
ফরিদপুরে সরকারি শিশু নিবাসের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় শিশু নিবাসীরা সরকারি হেফাজতে কতটা নিরাপদ সে প্রশ্ন উঠছে।
জানা গেছে, এসব শিশু পরিবারে শিশুদের দেখাশোনার জন্য খালাম্মা পদ রয়েছে। শিশুটির পরিস্থিতি কেন তাঁদের চোখ এড়িয়ে গেল, কোথায় অবহেলা তা খতিয়ে দেখছে মন্ত্রণালয়।






