পুরুষদের বিশ্বকাপে প্রথম এলজিবিটিকিউ প্লাস রেফারি ব্রুক মায়ো

পুরুষদের বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এলিজিবিটকিউ+ যৌন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন সহকারী রেফারি ব্রুক মায়ো।
গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা ও চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্যকার ম্যাচে সহকারী রেফারির দায়িত্বে ছিলেন ব্রুক মায়ো। ম্যাচটি আরও একটি কারণে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে
কারণ, ম্যাচটির প্রধান রেফারি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের টোরি পেনসো। এই অভিজ্ঞ মার্কিন রেফারি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ম্যাচ পরিচালনা করা দ্বিতীয় নারী প্রধান রেফারি হিসেবে ইতিহাস গড়েন। আরেক সহকারী রেফারি ছিলেন ক্যাথরিন নেসবিট। তিনজনই যুক্তরাষ্ট্রের এবং তিনজনই নারী।
একই রেফারিং দল নকআউটে ইকুয়েডর ও জার্মানির ম্যাচেও দায়িত্ব পালন করেন।
এই অর্জনকে শুধু ব্যক্তিগত নয়, ফুটবলে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ব্রুক মায়ো। তিনি বলেন, ‘আমি আমাদের এমন একটি সাধারণ দল হিসেবেই দেখি, যারা নিজেদের যোগ্যতায় এই ফিফা বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। তবে আমি জানি, আমরা নিজেদের চেয়েও বড় একটি বিষয়কে প্রতিনিধিত্ব করছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রফেশনাল সকার রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশন (পিএসআরএ) এক বিবৃতিতে ব্রুক মায়োর এই অর্জনের প্রশংসা করেছে। সংগঠনটি বলেছে, ‘এই বাধা ভেঙে সামনে এগিয়ে আসার সাহস দেখানোর জন্য আমরা ব্রুকের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁর এই পদক্ষেপ ফুটবলের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিজেদের পরিচয় নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করার অনুপ্রেরণা দেবে।’
এদিকে ব্রুক মায়ো বলেছেন, ভবিষ্যতের বিশ্বকাপেও নারী বা পুরুষ নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই সেরা রেফারিদের বেছে নেওয়া হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
এর আগে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো পুরুষদের বিশ্বকাপে নারী ম্যাচ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে সময় স্টেফানি ফ্রাপার, নেউজা ব্যাক ও কারেন দিয়াজ বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পূর্ণাঙ্গ নারী রেফারিং দল হিসেবে ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন।
সূত্র: বিবিসি








